বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি

১৪ জুলাই ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশের 'শান্তিকামী' প্রশাসন এক ঐতিহাসিক 'জাতীয় মৌনব্রত নীতিমালা' জারি করেছে। সাধারণ মানুষ যখন দ্রব্যমূল্য বা লোডশেডিং নিয়ে অহেতুক চিৎকার চেঁচামেচি করে দেশের শব্দদূষণ বাড়াচ্ছিল, তখন সরকার অত্যন্ত বিজ্ঞের মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এখন থেকে জনসমক্ষে কথা বলা একটি বিশেষ 'বিলাসিতা' হিসেবে গণ্য হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছে, "অতিরিক্ত কথা বললে শরীরের শক্তি ক্ষয় হয়, যা নাগরিকরা উৎপাদনশীল কাজে ব্যয় করতে পারতেন।" এখন থেকে প্রতিটি মোড়ে 'ভয়েস সেন্সর' বসানো হবে; যদি কেউ বাজারে গিয়ে দাম নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেন বা রাস্তায় দাঁড়িয়ে "দেশটা রসাতলে গেল" টাইপের অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য করেন, তবে তার ডিজিটাল ওয়ালেট থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে 'কোলাহল কর' কেটে নেওয়া হবে। সরকার মনে করে, নীরব জনতাই স্মার্ট বাংলাদেশের আসল ভিত্তি।